গোলাপগঞ্জে জমি দখলে বাধায় দেওয়া নিরিহ লোকদের উপর হামলা।

মার্চ ০৮ ২০২১, ১৫:২৯

Spread the love

গোলাপগঞ্জ প্রতিনিধি:- সিলেটের গোলাপগঞ্জের বাঘা এখলাছপুর গ্রামে নিরিহ মানুষের ভুমি জবরদখলে বাঁধা দেওয়ায় কারণে প্রতিপক্ষের স্বসস্ত্র হামলার ঘটনায় মহিলাসহ ৫ জন আহত হয়েছেন। আহতদের উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য সিলেট ওসমানী মেডিকেল হাসপাতালে প্রেরণ করেছেন স্থানীয় লোকজন। এ ঘটনায় গুরুত্বর আহত ফয়সল আহমদ নামের একজন গোলাপগঞ্জ থানায় একটি এজাহার দায়ের করেন। এহাজারটি আমলে নিয়ে গোলাপগঞ্জ থানার এসআই মহরম আলী সরেজমিন ঘটনাস্থল পরিদর্শণ করে নিরিহ লোকদের উপর হামলার ঘটনার সত্যতা পেয়েছেন। তদন্তকারী এসআই মহরম জানান, স্থানীয় ভাবে জামায়াতের লোক হিসাবে পরিচিত প্রভাবশালী একটি মহল নিরিহ ফয়ছল গংদের বসতবাড়ি দখল করতে গেলে এতে ফয়ছল আহমদের পরিবারের লোকজন বাঁধা প্রয়োগ করেন। এসময় জবর দখলকালীরা ফয়ছলসহ তার পরিবারের লোকজনকে বাড়ি থেকে ধরে নিয়ে গ্রামের রাস্তার উপর ফেলে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে মারধর করে। পরে গ্রামের লোকজন এগিয়ে এসে আহতদের উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে প্রেরণ করেন। এঘটনায় ওসির সাথে আলাপ করে মামলা এফআইআর করা হবে। তবে আহতদের অভিযোগ অদৃশ্য কারণে পুলিশ মামলাটি এফআইআর করছেনা। আর হামলাকারীদের ভয়ে তারা বাড়ি ঘর ছেড়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন।
জানা যায়, গোলাপগঞ্জ উপজেলার বাঘা ইউপির লামা এখলাছপুর গ্রামের অসহায় দিনমজুর মৃত নছির আলীর ছেলে ফয়সল আহমদ একজন শান্তিপ্রিয় মানুষ। সম্প্রতি তার বসতবাড়ির উপর নজর পড়ে স্থানীয় ভাবে প্রভাবশালী একই গহ্রামের মৃত আছদ্দর আলীর ছেলে সাহাব উদ্দিন, নিমার উদ্দিন, সাহাবুদ্দিনের ছেলে সুহেল আহমদ, আছদ্দর আলীর ছেলে আমির উদ্দিন, জহুর উদ্দিনের ছেলে আব্দুল্লাহ, নিমার উদ্দিনের ছেলে রুহেল আহমদ, সাহাবুদ্দিনের ছেলে জাবের আহমদসহ সঙ্গবদ্ধ একটি সঙ্গবদ্ধ চক্র জবর দখল করতে মরিয়া হয়ে উঠে। এরই ধারাবাহিকতায় গত রবিবার দুপুর অনুমান ২টার দিকে উল্লেখিত ব্যক্তিরা সঙ্গবদ্ধ হয়ে অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে ফয়সলের বসতবাড়ি দখল করতে গেলে তিনি বাধা দেন। এরপরই কোন কিছু বুঝে উঠার আগেই উল্লেখিত ব্যক্তিরা ফয়সলসহ তার পরিবারের লোকদের উপরে অর্তকৃত হামলা করে ফয়সলকে তার বাড়ি থেকে টেনে হিচড়ে রাস্তায় নিয়ে আসে এলোপাতাড়ি কুপাতে থাকে। এসময় আহত স্বামীকে রক্ষা করতে স্ত্রী ফাতেমা বেগম এগিয়ে আসলে তার উপরেও মামলা করে উল্লেখিত ব্যক্তিরা এবং পাশাপাশি ফয়সলের বসতঘর ভাংচুর করে নগদ টাকা পয়সা ও জমির দলিলাদী নিয়ে যায়। চিৎকার শুনে স্থানীয় লোকজন আহতদের উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিয়ে যেতে চাইলে সেখানে বাধা দেয় হামলাকারীরা। হামলার ঘটনায় বাদী হয়ে ফয়সল আহমদ গোলাপগঞ্জ থানায় একটি এজাহার দায়ের করেন। এজাহারটি তদন্ত করছেন থানার এসআই মরম আলী।