এবার চোরা কারবারি পলিথিন আলীর বিরুদ্ধে উপশহরে জায়গা দখল ও চাদাবাজির অভিযোগ।

এপ্রিল ০৯ ২০২১, ১৬:৫৬

Spread the love

নিজেস্ব প্রতিনিধিঃ- সিলেট নগরীর উপশহরে ডিবি পুলিশ পরিচয় দিয়ে ৫ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি ও সাড়ে সাত শতক জায়গা দখল চেষ্টার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ব্যপারে বৃহস্পতিবার ( ৮ মার্চ) সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার বরাবরে লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছেন এসএমপি’র শাহপরাণ (রহ.) থানার শাহজালাল উপশহর সি ব্লকের ৪০ নং বাসার বাসিন্দা আব্দুল ওয়াদুদের ছেলে শামিম আহমদ শাহেদ ও তেররতনের মৃত বশির মিয়ার চেলে সৈয়দ নিয়াজ।

লিখিত অভিযোগে তারা উল্লেখ করেন, শাহজালাল উপশহরের এইচ ব্লকের ৪নং রোডের ৩ নং বাসার বাসিন্দা ইউনুছ আলীর ছেলে রমজান (৩৮), ১৫ নং ওয়ার্ড ছড়ার পাড়ের বাসিন্দা আলী হোসেন সরকার ওরফে পলিথিন আলী ওরফে বোঙ্গা আলী এবং এইচ ব্লকের বাসিন্দা শাবুউদ্দিনসহ তাদের বাহিনী নিয়ে শাহজালাল উপশহর এইচ ব্লকের পূর্ব প্রান্তে রাস্তার পাশে ১৯৯৯-২০০০ সালের নামজারিকৃত ৪২৯ নং খতিয়ানের ৪৫ নং দাগের সাড়ে সাত শতক ভূমিতে অন্ত্রসস্ত্র সহকারে গিয়ে নিয়াজ ও শামিমকে ডেকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন। আর তাদের বুকে অস্ত্র ধরে বলেন, এই জায়গায় কোন কিছু করতে হলে তাদেরকে ৫ লক্ষ টাকা চাঁদা দিতে হবে। অন্যথায় ঐ জায়গায় কিছু করতে দিবে না। তাদের কথা না শুনলে প্রাণে হত্যা করে লাশ গুম করবে মর্মে হুমকী প্রদান করে বলে টাকাটা যেন রাতেই প্রদান করা হয়। আর বলে রাত্রে ডিবি পুলিশ সহকারে এসে জায়গা ক্রয়ের স্বাদ মিটিয়ে দিবে। তখন বিষয়টি স্থানিয় কাউন্সিলর ছালেহ আহমদ সেলিম ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যাক্তিদের অবগত করা হয়। গত ৫ মার্চ রাত অনুমান সাড়ে ১১ টার দিকে ডিবি পুলিশ পরিচয়ে ৮ থেকে ১০ জন অস্ত্রসস্ত্র সহকারে এস ভূমিতে গিয়ে ডিবি পুলিশ পরিচয় দিয়ে জোর পূর্বক মাটি ভরাট করার চেষ্টা কওে আলী হোসেন সরকার ও তার সঙ্গীয়রা। এ সময় বাধা নিষেধ প্রদান করলে, ডিবি পুলিশ পরিচয়দানকারীরা বলেন জায়গাটি আলী হোসেন সরকার গংদের।
শামিম ও নিয়াজ তাদের অভিযোগে আরও উল্লেখ করেন, আদো জায়গাটিতে আলী হোসেন সরকার, শাবুদ্দিন ও রমজানের কোন ধরণের সংশ্লিষ্টতা নেই। এছাড়া ভূমিটি জোর পূর্বক দখলের জন্য ডিবি পুলিশ পরিচয়ে অব্যাহত হুমকি প্রদান করা হচ্ছে তাদেরকে। আর বলা হচ্ছে জায়গা নিয়ে বেশি বাড়াবাড়ি করলে নানা ধরণের মিথ্যে মামলায় জড়িয়ে গ্রেফতার করে পুলিশ ও ডিবি দিয়ে শারীরিক নির্যাতন করা হবে। এ বিষটিও স্থানিয় কাউন্সিলর এবং গণ্যমান্য ব্যাক্তিদের অবগত করলে, তাদের মধ্যস্থতায় তা সমাধান হয়। কিন্তু বর্তমানে জায়গাটি দখলের জন্য নানা ধরণের ফন্দি ফিকির করছে বর্ণিত বিবাদীরা। তাছাড়া নিয়াজ ও শামিমকে নির্যাতন করার জন্য সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে এলাকায় অব্যাহত মহড়া প্রদান করছে। তাই ভূমি রক্ষা ও জানমালের নিরাপত্তার জন্য পুলিশ কমিশনার এর স্মরণাপন্ন হয়েছেন।

এ ব্যাপারে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের ২২ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর অ্যাডভোকেট সালেহ আহমদ সেলিম জানান, তার এলাকায় জায়গা দখল করার চেষ্টা ও চাঁদাবাজির অভিযোগ করেন নিয়াজ ও শামিম। তিনি তাৎক্ষনিক স্থানিয় গণ্যমান্য ব্যাক্তিদেও নিয়ে বিষয়টি মিমাংসা করে দেন। এতে উভয় পক্ষ সন্তুষ্ট হন। এরপরও ওই জায়গা নিয়ে বিরোধ হচ্ছে যা অত্যান্ত দুঃখজনক।