একই পরিবারের ৪ জন অসহায় দৃষ্টি প্রতিবন্ধীর আকুতি।

এপ্রিল ২৯ ২০২১, ২০:৪২

Spread the love

ফারুক আহমদ চৌধুরীঃ- মানুষ মানুষের জন্য একটু সহানুভূতি মানুষ কি পেতে পারেনা এই কথাকে সামনে রেখে সিলেট সিটি কর্পোরেশনে ৮ ওয়ার্ডের অন্তর্ভুক্ত হাওলাদার পাড়া এলাকার বাসিন্দা রোকেয়া বেগম ও তাহার ২ বছরের কন্যা সহ মা-বোনকে নিয়ে মানববেতর জীবন-যাপন করছে। তার স্বামী নগরীর জিন্দাবাজারের একটি শপিং সেন্টারে ৫হাজার টাকা বেতনে সিকিউরিটি গার্ডের চাকুরী করে। তার এই স্বল্প আয়ে ৫/৬ জন মানুষের খাওয়া দাওয়া সহ সকল প্রকার ভরনপোষণ করা অত্যন্ত কষ্টকর। রোকেয়া বেগম নিজে একজন এইচ এস সি পাশ নারী, দৃষ্ট প্রতিবন্ধী হওয়ার কারনে সে কোন প্রকার চাকুরী করতে পারে না। তার কাছ থেকে জানতে চাইলে,সে জানায় আমি একজন দৃষ্টি প্রতিবন্ধী হলে আমি নিজের পায়ে দাঁড়াতে চাই। আমি আমার শিক্ষাগত যোগ্যতা কে কাজে লাগিয়ে সমাজে মানুষের মত মানুষ হয়ে বাঁচতে চাই। আমি কারো বোঝা হয়ে বাঁচতে চাই না। আমাকে একজন শিক্ষিত মা দাও, আমি একজন শিক্ষিত জাতি উপহার দিবো,কবির এই কথাকে সামনে রেখে আমি আমার দৃষ্টি প্রতিবন্ধী কন্যা শিশু কে ও আমার মত সুশিক্ষায় শিক্ষিত করে সমাজ প্রতিষ্টিত করতে চাই। আমি ও আমার পরিবারের পক্ষ থেকে সিলেট সহ দেশের সকল বিত্তবান ব্যক্তি,রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও প্রিন্ট-ইলেকট্রনিক মিডিয়া সহ সকলের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করছি। আপনাদের সহায়তা ও ভালবাসা আমার দৃষ্টি প্রতিবন্ধী পরিবারের মুখে হাসি ফোটাবে সেই সাথে আমার জীবন সংগ্রামে আমাকে সাহস ও অনুপ্রেরণা যোগাবে। হয়তো আমি ও আমার পরিবার চিরকাল বেঁচে থাকবে না কিন্তু আপনাদের সহযোগিতা ও ভালবাসার অবদান চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। সর্বশেষে করোনায় বিপর্যস্ত দেশবাসী সহ সারা বিশ্বের সকল ধর্মের সকলের সুস্থতা ও মাগফেরাত কামনা করছি। সেইসাথে কৃতজ্ঞতার সাথে স্বীকার করি মানবতার ফেরিওয়ালা সিলেটের সকলের কাছে পরিচিত মানবিক সিএনজি চালক সোহেল আহমদ ভাই যার অক্লান্ত পরিশ্রম আর সহযোগিতা আমাদের দৃষ্টি প্রতিবন্ধী পরিবারকে সুন্দর-সুরক্ষিতভাবে বেঁচে থাকার প্রয়াস যুগিয়েছে। আমাদের আধা কাঁচা গৃহকে পাকা করে দিয়েছেন মানবিক এই সিএনজি চালক আর আমাদের ৮ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর ইলিয়াছুর রহমান ইলিয়াস ভাই। আমি সৃষ্টিকর্তার নিকট তাদের সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করি ।