নগরীর উপশহর তেরো রতন এলাকায় মাদক ব্যবসায়ী কুদ্দুসের হুমকির মুখে সংবাদ কর্মী।

মে ০৫ ২০২১, ১৮:০১

Spread the love

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ- করোনা সংকটে যখন গোটা দেশ আতংকের মাজে টিক তখন নগরীর তেররতন এলাকা জুড়ে দিনরাত চলছে রমরমা মাদক ব্যবসা। ইয়াবা ও গাঁজায় সয়লাব এই এলাকার কুদ্দুস বাহিনীর।

তেররতন এলাকায় হাত বাড়ালেই পাওয়া যাচ্ছে ইয়াবা, গাজাসহ মাদকদ্রব্য।করোনা মহামারীতে জনজীবন যেখানে বিপর্যস্ত ঠিক এ সংকটময় মুহুর্তে স্থানিয় পুলিশ প্রশাসনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি প্রদর্শন করে দ্বিগুন উৎসাহে যুবসমাজ বিধ্বংসী মাদকের ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে তেররতন এলাকার কলোনির কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ী কুদ্দুস বাহিনী।

এতে করে মাদকের করাল গ্রাসে নিমজ্জিত হচ্ছে যুবসমাজ। সরেজমিনে অনুসন্ধানীতে দেখা যায় সরকার দলীয় নেতাদের নাম ভাঙ্গীয়ে অত্যন্ত দাপটের সহিত মাদক ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে সিলেট সিটি করপোরেশনের ২৪ নং ওয়ার্ডের আওতাধীন তেররতন এলাকার চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী কুদ্দুস বাহিনীর।

মাদক ব্যবসায়ীদের অভয়ারণ্যে তেররতন এলাকা, ছোট ছোট চা দোকানের ভিতরে ইয়াবা, গাজাসহ বিভিন্ন ধরনের মাদক বিক্রি করে যাচ্ছে, সহজে হাত বাড়ালে মাদকের দেখা মেলায় সব শ্রেণি পেশার মানুষ মাদক সেবনে জড়িয়ে পড়েছে।

অভিযোগ রয়েছে, মাদক কারবারি ইয়াবা কুদ্দুস ওরফে ঠুকাই কুদ্দুস বিভিন্ন কৌশলে মাদক সরবরাহ করে। উপশহর, তেররতন সহ কয়েক এলাকায় মাদক বিক্রি করে আসছে। এই এলাকায় গণমাধ্যমকর্মীরা ছবি নিতে গিয়ে মারধর ও হুমকির শিকার হতে হয়ছে ।

 

উপশহর তেরো রতন বাজারে আজকের চিত্র টোকাই কুদ্দুস কিভাবে সাংবাদিকের দিকে চোখ রাঙিয়ে অশালীন ভাষায় গালি দিচ্ছে।

 

রমরমা মাদক ব্যবসায় তেররতন এলাকার এক শ্রেণির বখে যাওয়া মাদকসেবি সদস্যরাও নানান ভাবে সহযোগিতা করছে বলে জানিয়েছেন অভিযোগকারিরা।

মাদকবিক্রি এবং মাদক সেবিদের স্থির ও ভিডিওচিত্র ধারণ করতে গিয়ে হুমকি ও লাঞ্ছনার শিকার হতে হয় সংবাদকর্মিকে পাশাপাশি এই মাদক ব্যবসা নিয়ন্ত্রণে হাত রয়েছে তেররতন এলাকার খোলস বদলকারী স্থানীয় কিছু অসাধু ব্যক্তিদের। তাদের ছত্রছায়ায় নির্বিঘ্নে মাদক ব্যবসা এখন ওপেন সিক্রেট।

এদিকে পুলিশ র‌্যাব এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ইয়াবা, ফেন্সিডিল ও গাঁজাসহ মাদকদ্রব্যর বড় বড় চালান ধরছে প্রতিদিন, গ্রেফতারও করছে কারবারিদের। আলুর বস্তায় মিলছে গাঁজার বান্ডিল, মাছের ট্রাকে মিলছে ফেন্সিডিল, মোটরসাইকেলের সিটে এমনকি অ্যাম্বুলেন্সের ইঞ্জিনের ভিতরে লাখ লাখ পিছ ইয়াবা উদ্ধার করছে পুলিশ, র‌্যাব ও আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অনেকেই জানান,

এই এলাকায় মাদক ব্যবসা করতে গেলে স্থানীয় প্রভাবশালী নেতাকর্মীদেরকেও মাসোহারা দিতে হয়। নির্বিঘ্নে মাদক ব্যবসা করতে গেলে এসব ম্যানেজ করেই ব্যবসা করা লাগে।

তেররতন এলাকায় কলোনির রুমে রুমে সংঘবদ্ধ হয়ে মাদকসেবীরা মাদক সেবন করে। এতে করে যেমন বেড়ে যাচ্ছে করোনা সংক্রমণের ঝুঁকি তেমনি মাদকের কোরাল গ্রাসে ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে স্থানীয় যুবসমাজ। আছে চায়ের দোকান খোলা। আড্ডা থেমে নেই, থেমে নেই মাদকসেবন। নির্জনতার সুযোগে চুটিয়ে আড্ডার ছলে মাদকসেবন চলছে।

কিন্তু গত ০৯-০৩-২০২১ ইং তারিখে এই মাদক ব্যবসায়ী কুদ্দুসে বিরুদ্ধে স্থানীয় এক সাংবাদিক কে হুমকি দেয়ার কারণে ওই সাংবাদিক বাদী হয়ে একটি সাধারণ ডায়েরি কররা পরও কোনো সুরাহা মিলেছে না।

এ ব্যাপারে শাহপরান (রহ.) থানার অফিসার ইনচার্জ সৈয়দ আনিসুর রহমানের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, মাদক ব্যবসায়ীরা যত বড় শক্তিশালী হোক না কেনো তাদের বিরুদ্ধে আমরা আইনি ব্যবস্থা নিতে অভিযান পরিচালনা করে যাচ্ছি এবং এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।

সর্বশেষ নিউজ