পৃথিবীর কথা | সিলেটের কানাইঘাটে সুরমা নদী থেকে অবৈধ ভাবে বালু-মাটি উত্তোলন : নৈপথ্যে ‘ডিপজল’। ca-pub-3266865189993050

সিলেটের কানাইঘাটে সুরমা নদী থেকে অবৈধ ভাবে বালু-মাটি উত্তোলন : নৈপথ্যে ‘ডিপজল’।

Spread the love
Advertisements
Loading...
Advertisements
Loading...

কানাইঘাট প্রতিনিধিঃ- সিলেট জেলা কানাইঘাট উপজেলার সুরমা নদী থেকে অবৈধ বালু-মাটি উত্তোলন করছে একদল মাটিখেকো। জনৈক মিজানুর রহমান ডিপজল নামের এক বাহিনী খাবলে খাচ্ছে সুরমা নদীর তীর। ফলে নদীভাঙ্গন চরম আকার ধারন করছে। কানাইঘাট উপজেলাধীন উজান বীরদল ও নিজ বড়দেশ দক্ষিণ বাঘা বাজার সংলগ্ন ইজারা অযোগ্য এলাকা থেকে এ বালূ- মাটি উত্তোলন করা হচ্ছে। মাটিখেকোরা শাসকদলীয় নেতা ও হোতা। তাই নদী ও নদীতীর রক্ষায় বিহীত কোন ব্যবস্থা নিচ্ছে না জেলা ও উপজেলা প্রশাসন।

অভিযোগে প্রকাশ, কানাইঘাট উপজেলার মিজানুর রহমান ডিপজল একজন পেশাদার বালু-মাটি ব্যবসায়ী। আজ থেকে প্রায় ১৫ দিন পূর্বে তারা সিলেটের জকিগঞ্জ উপজেলাধীন নোয়াগাঁও মৌজাস্থ সুরমার নদী বালু মহালের ইজারা গ্রহণ করেন। কিন্তু ইজারাকৃত মহালের প্রায় ১০-১২ কিলোমিটার উজানে গিয়ে কানাইঘাট উপজেলাধীন উজান বীরবল এলাকায় ইজারা অযোগ্য সুরমা নদী খোদাই করতে শুরু করেছেন। দৈনিক লাখ লাখ ঘনফুট বালু-মাটি উত্তোলন করে স্থানীয় খেলার মাঠ নামে জেলার বিভিন্ন প্রজেক্ট এলাকায় বিক্রি করছেন তারা। বালু-মাটি উত্তোলন স্থল ইজারা বহির্ভুত হলেও নিজ বাহুর বলে তারা দেদারছে নদী খোদাই ও সাবাড় করে নিচ্ছেন। অবৈধ হাইড্রলিক ড্রেজার ব্যবহার করে ভেঙ্গে ফেলছেন নদী তীর। ফলে ওই এলাকার সুরমা তীরবর্তী বাড়িঘর, ক্ষেতের জমি,হাটবাজার, স্কুল-মাদ্রাসা, মসজিদ এবং পাউবো’র বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ চরম হুমকির মূখে। স্থানীয়রা প্রতিবাদ করলে তাদের দেওয়া হয় হামলা-মামলার অহরহ হুমকি।

বিষয়টি উপজেলা প্রশাসন ও স্থানীয় এমপিকে অবগত করা হলেও রাজনৈতিক কিংবা অজ্ঞাত কারণে অবৈধ বালু-মাটি উত্তোলন বন্ধে কোন ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। এলাকাবাসী যান্ত্রিক নদীভাঙ্গন রোধে অবৈধ বালু-মাটি উত্তোলনকারীদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ মূলক ব্যবস্থা গ্রহণে সরকার ও প্রশাসনের উর্ধতন কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

এ ব্যাপারে মিজানুর রহমান ডিপজলের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি কানাইঘাট উপজেলাধীন এলাকা থেকে বালু-মাটি উত্তোলনের অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন- আমি জকিগঞ্জ উপজেলার বারহাল ইউনিয়ন এলাকাস্থ একটি মহালের ইজাদার। কানাইঘাট উপজেলাধীন এলাকা থেকে বালু-মাটি উত্তোলনের অভিযোগ সত্য নয় বলে জানান তিনি। কিন্তু তাহাকে বালু উত্তলনের সময় নদীর তীরে নৌকার কাছে সব সময় দেখা যায় বালু-মাটির মালিক হিসেবে পরিচয় পাওয়া যায়।

এই বিষয়ে কানাইঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুমন ব্যানার্জি’র সাথে শুক্রবার সন্ধ্যায় মুঠোফোনে বারবার যোগাযোগের চেষ্টা করলে তার সরকারি ফোন সবসময় ব্যস্ত পাওয়া যায়।

Advertisements
Loading...
Loading...

এই বিষয়ে কানাইঘাটের এসি ল্যান্ড আবিদা সুলতানার সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে অভিযোগ পৌঁছার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন- উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নির্দেশ পাওয়া গেলে এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সূত্র: ক্রাইম সিলেট,

ব্রেকিং নিউজ:: আপনাদেরকে আরেক টি বিষয় জানিয়ে রাখতে চাই , কানাইঘাট উপজেলার ৭নং দক্ষিণ বানীগ্রাম ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের নিজ বড়দেশ দক্ষিণ গ্রামের সুরমা ডাইক রাস্তা ও অনেক অসহায় মানুষের ঘর-বাড়ি এমনিতেই নদী গর্ভে চলে গিয়েছে, এই ভাবে সুরমা নদী থেকে বালু উঠিয়ে বিক্রি করার কারণে, বর্তমানে একই অবস্থা রয়েছে, দীর্ঘ দিন থেকে এলাকার লোকজন যাতায়াতে অনেক দূর্ঘটনার শিকার হতে হচ্ছে কিন্তু দেখার কেউ নেই।

এইবার আবারো নাকি সেই বড়দেশ এলাকার একদল প্রভাবশালী কুচক্রী বাহিনী এই সুরমা নদীর সেই জায়গা থেকে অবৈধভাবে বালু মাটি বিক্রি করার পায়তারা চালাচ্ছে । বিস্তারিত আগামী পর্বে বালু মাটি বিক্রেতাদের নাম সহ নিউজ হবে।

সর্বশেষ নিউজ